- Get link
- X
- Other Apps
বিশেষ পোস্ট
- Get link
- X
- Other Apps
![]() |
| রসুন রক্তচাপ কমাতে পারে |
স্বাস্থ্য, সৌন্দর্য ও প্রাত্যহিক জীবনের নানা সমস্যায় আমরা প্রায়ই হিমশিম খাই। ডাক্তারের কাছে দৌঁড়ানো বা দামি প্রোতাক্ট কেনা সবসময় সম্ভব হয় না। অথচ রান্নাঘর আর ঘরের আশপাশেই লুকিয়ে আছে অনেক সমস্যার সহজ সমাধান। এখানে আমরা পাঁচটি স্বাস্থ্য সমস্যার পাঁচটি সহজ ঘরোয়া সমাধান সম্পর্কে জানবো, যা সহজে মেনে চলা যায় এবং খরচও কম।
১) উচ্চ রক্তচাপ: কাঁচা রসুন উচ্চ রক্তচাপ কমাতে পারে। রসুনে অ্যালিসিন নামক সক্রিয় সালফার যৌগ থাকে। এটি রক্তনালিকে শিথিল ও প্রসারিত করতে সাহায্য করে। ফলে রক্ত চলাচল সহজ হয় এবং প্রাকৃতিকভাবেই রক্তচাপ কমে আসে। এটি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতেও দারুণ কার্যকর।
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১-২ কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেয়ে এক গ্লাস হালকা গরম পানি পান করুন। চিবিয়ে খেতে কষ্ট হলে ছোট ছোট টুকরো করে পানির সাথে গিলে খেতে পারেন। তবে কাটার পর ১০ মিনিট বাতাসে রেখে দিলে অ্যালিসিন যৌগটি পুরোপুরি সক্রিয় হয়।
২) ছোট কিডনি পাথর: কিডনির ছোট পাথর অপসারণে লেবুর রস ও জলপাই তেল কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। লেবুর রসে প্রচুর সাইট্রেট থাকে, যা কিডনিতে ক্যালসিয়ামের পাথর জমতে বাধা দেয় এবং ছোট পাথরকে ভেঙে টুকরো করে। জলপাই তেল মূত্রনালিকে পিচ্ছিল করে, যার ফলে পাথর সহজে প্রস্রাবের মাধ্যমে বের হয়ে যায়।
২ টেবিল চামচ তাজা লেবুর রস এবং ২ টেবিল চামচ জলপাই তেল একসাথে মিশিয়ে নিন। সকালে খালি পেটে মিশ্রণটি খেয়ে নিন এবং সাথে সাথে এক গ্লাস পানি পান করুন। এরপর সারাদিনে কমপক্ষে ৪ লিটার পানি পান করুন।
৩) কান ব্যথা: রসুনের তেল কান ব্যথা উপশম করতে পারে। রসুনের শক্তিশালী অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিবায়োটিক গুণ কানের ভেতরের ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাল ইনফেকশন ধ্বংস করে। এটি কানের পর্দার পেছনে তরলের চাপ কমিয়ে ব্যথা ও চুলকানি দ্রুত উপশম করে।
১ টেবিল চামচ তিলের তেল বা সরিষার তেলে ২ কোয়া রসুন কুচি করে হালকা গরম করুন, যতক্ষণ না রসুন কালচে হয়। তেলটি নামিয়ে ছেঁকে পুরোপুরি ঘরের তাপমাত্রায় ঠাণ্ডা করুন। যে কানে ব্যথা সেই কানে ২ ফোঁটা তেল দিয়ে ১০ মিনিট মাথা কাত করে রাখুন। কানের পর্দা ফাটা থাকলে এটি করবেন না।
৪) হেঁচকি ওঠা: শুনতে অবিশ্বাস্য হলেও এক চামচ চিনি হেঁচকি থামিয়ে দিতে পারে। চিনি মুখে দিলে তা ভেগাস নার্ভকে উদ্দীপিত করে। এই স্নায়ুটি মস্তিষ্ক ও পাকস্থলির সংযোগ রক্ষা করে। চিনির তীব্র মিষ্টি স্বাদ মস্তিষ্কের মনোযোগ ঘুরিয়ে দেয়, যার ফলে ডায়াফ্রামের অনৈচ্ছিক সংকোচন তথা হেঁচকি বন্ধ হয়।
হেঁচকি শুরু হলে ১ চা চামচ দানাদার চিনি জিভের ওপর রাখুন এবং ৫ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন। এরপর পানি ছাড়াই চিনিটুকু গিলে ফেলুন। এটি করার সাথে সাথেই হেঁচকি থেমে যাবে।
৫) গলা বসা: যষ্টিমধু গলা বসা তথা স্বরভঙ্গ সমাধান করতে পারে। যষ্টিমধু শ্বাসনালী ও গলার ভেতরের শুষ্কতা দূর করে লালা গ্রন্থিকে সক্রিয় করে। এটির ভাইরাস বিরোধী উপাদান গলার স্বরযন্ত্রের ফোলাভাব এবং সংক্রমণ কমিয়ে গলার স্বাভাবিক আওয়াজ দ্রুত ফিরিয়ে আনে।
ছোট এক টুকরো যষ্টিমধু মুখে নিয়ে চুইংগামের মতো আস্তে আস্তে চিবিয়ে রসটুকু গিলুন। অথবা এক কাপ পানিতে আধা চা চামচ যষ্টিমধুর গুঁড়া ফুটিয়ে চা বানিয়ে পান করুন (দিনে ২ বার)।
ডিসক্লেইমার: এখানে প্রকাশিত তথ্য স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য। সমস্যাকে গুরুতর মনে হলে অবশ্যই দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।
- Get link
- X
- Other Apps

Comments
Post a Comment