- Get link
- X
- Other Apps
বিশেষ পোস্ট
- Get link
- X
- Other Apps
![]() |
| গুঁড়া দুধ |
ব্যস্ত জীবনে গুঁড়া দুধ আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। চা, কফি, বাচ্চার খাবার, নাস্তা- সবকিছুতেই লাগে। কিন্তু বাজারে গেলেই কনফিউশন- ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার নিবো নাকি ইনস্ট্যান্ট মিল্ক পাউডার? কোনটি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হবে?
ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার এবং ইনস্ট্যান্ট মিল্ক পাউডার দুটির মধ্যে কোনটি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, তা নির্ভর করে ব্যক্তির শারীরিক লক্ষ্য এবং পুষ্টির চাহিদার ওপর। তবে পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ন থাকার দিক থেকে ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী।
ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার কি?
এটা গরুর তাজা দুধের জলীয় অংশ শুকিয়ে বানানো হয়। দুধের ফ্যাট বা ক্রিম ফেলে দেয়া হয় না। তাই এটাকে হোল মিল্ক পাউডারও বলে। এতে দুধের প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদান, ভিটামিন এবং খনিজ প্রায় অক্ষুণ্ণ থাকে। এতে চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন (ভিটামিন A, D, E এবং K) প্রাকৃতিকভাবেই ভরপুর থাকে। কম প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এর দ্রবণীয়তা ইনস্ট্যান্ট মিল্ক পাউডারের তুলনায় কম। গরম পানিতে ভালো মেশে। ক্যালরি অনেক বেশি।
ইনস্ট্যান্ট মিল্ক পাউডার কি?
এটাকে স্কিমড মিল্ক পাউডারও বলে। দুধ থেকে প্রথমে ফ্যাট আলাদা করে ফেলা হয়। তারপর স্প্রে ড্রাই করে দানাদার করা হয়, যাতে পানিতে মুহূর্তেই গলে যায়।তাই এর নাম ইনস্ট্যান্ট। এটি পানিতে সহজে মেশানোর জন্য প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় সয়া লেসিথিন যোগ করা হয়। ফলে ঠান্ডা পানিতেও দ্রুত মিশে যায়। ক্যালরি কম থাকে।
কোনটা কার জন্য ভালো?
১। শিশুদের জন্য: শিশুদের মেধা ও শারীরিক বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্যাট এবং ভিটামিন প্রয়োজন। তাই বাড়ন্ত শিশুদের জন্য ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার সবচেয়ে ভালো।
২। ওজন ও চর্বি নিয়ন্ত্রণে: যদি আপনি ডায়েট বা কোলেস্টেরলের সমস্যায় ভোগেন, নন ফ্যাট / লো ফ্যাটের ইনস্ট্যান্ট মিল্ক পাউডার আপনার জন্য নিরাপদ।
৩। প্রাকৃতিক খাবার পছন্দ করলে: কম প্রক্রিয়াজাত এবং কোনো প্রকার কৃত্রিম ইমালসিফায়ার (যেমন- লেসিথিন) ছাড়া দুধ খেতে চাইলে ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার বেছে নিন।
৪। ওজন বাড়াতে চাইলে: যারা ওজন বাড়াতে চান বা যাদের অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন, তাদের জন্য ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার দারুণ উপকারী।
৫। হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে: যারা হৃদরোগের ঝুঁকিতে আছেন অথবা রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তারা কম চর্বির ইনস্ট্যান্ট মিল্ক পাউডার বেছে নিতে পারেন।
শেষ কথা: গুঁড়া দুধ যতই ভালো হোক না কেন, তাজা দুধের সমান উপকার দিতে পারে না। সম্ভব হলে সপ্তাহে ৩-৪ দিন তাজা দুধ খান।
Disclaimer: এখানে প্রদত্ত তথ্য কেবল সচেতনতার জন্য, চিকিৎসা নয়। কোনো সমস্যা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
- Get link
- X
- Other Apps

Comments
Post a Comment